Posted in Scribbled Thought

Axone : A Recipe from North-East India

So, this Thursday I just watched this film. I got a suggestion from Scoopwhoop. And it was not a bad decision. Axone is a food product of Nagaland. I searched about it on the internet and Wikipedia showed that the word Axone is made of two words. Axo means aroma and Ne means deep. So the word Axone means deep smell. This is fermented soybean. I thought, “Okay, I might learn a new recipe.” And guess what!! This movie really made a nice dish. North-east India consists of 7 states.

But there are hundreds of ethnic groups are coexisting among the 7 states. They have different languages, cultures, food habits and of course physical appearance than the rest of India. Whenever I think about that region, I can’t help but think about the beautiful nature, colourful dresses, people with warm smiles and tasty foods. But in the mindset of mainland India, their mongoloid look makes them less Indian and ‘Axone’ tells that story.

Story Outline

The movie starts with a scene of a few young people collecting some ingredient and utensils to cook for their friend. They live in Delhi, capital of India. They are the north-eastern Indian, living in Delhi. Some of them are looking for a job. Some of them are preparing for Govt. exam. Some of them are running a shop. But together, they are like a family. As the story goes on, it is revealed that one of them, Minam is getting married in a small ceremony.

To surprise her, Chanbi and Upasana, her two roommates are making axone as it is a very important dish for the wedding. Though they managed to gather the ingredients, the real problem arose when they started to cook. As they put the Axone, the fermented smell irritated the neighbours and they protested (obviously powered by their stigma against the North-Eastern people). The story revolves around their problem to find a place so that Axone can be cooked.

Scribbled Thought

In this movie, if I think the hot pot resembled India then the ingredient Axone is the northeast. Without it, the dish is not complete. Actors in this movie have been cast properly. But I think the director has not used Adil Hussain properly. In the whole movie, he just kept watching others. I don’t know what does it meant. Was he representing the common attitude of Indians of watching everything without getting involved? The character Shiv is a perfect portrayal of next-generation Indians. He jokes about everything. He constantly asks for a northeastern girlfriend to show himself edgy. He felt shocked when Bangdong cursed him saying ‘Indian’. I think this is a powerful scene. Bangdong is a traumatized person. His backstory is something we are habituated to watch in the news. Often they are branded as ‘Chinese’ due to their appearance. This scene was a slap on this mentality.

I liked the story of Zorem also. This movie beautifully portrayed the emotional evolution of a man to let go of the past and accepting the present. The character Chanbi is the thread holder of the story. She is the mother figure of the group and a fierce woman. But at some point, she also breaks down when the neighbours threaten them to throw them out. But in this movie, we got to see the harmonious side also. Many northeastern people have settled in Delhi. They got married in another community. They are having their own family. Dolly Ahluwalia and Vinay Pathak, both of them are the comic relief and these characters supported the team whenever it was necessary. The end scene was beautiful. The dresses they wore were so colourful and beautiful, I said, “Mom, I need to buy few Mekhlas.” In the end, I would like to say that this movie is a nice short story which will keep lingering into your minds days after watching it.

Posted in Scribbled Thought

কলকাতা ভালো আছো?

প্রিয় কলকাতা,
ভালো আছো? জানো আজ তোমাকে বড্ড মনে পড়ছে। মনে পড়ছে, প্রথম যেদিন তোমার কাছে এলাম, সেই দিনটা। আমার মন এতোটুকু ভালো লাগেনি। তোমার প্রতি একটা বিতৃষ্ণা জন্মেছিল অনেক ছোট থেকেই। আসলে মফঃস্বলের মেয়ে তো, ভয় ছিল লোকে যদি হ্যাঁটা দেয়। বড় হয়েছি, পড়াশুনো করতে চলে গেছি ভুবনেশ্বরে। জানো, ওখানের মাটিটা বেশ লাল; ঠিক মেদিনীপুরের মত। ৭ টা বছর কাটিয়েছি ওখানে। তোমার মত অতো কোলাহল নেই। বেশ স্নিগ্ধ শহর। আবার শ্রীক্ষেত্র কাছে ওখান থেকে। তারপর জীবিকার টানে তোমার কাছে আসা।

জানো তিলোত্তমা, সেইদিনটা জুন মাসের মাঝামাঝি বা শেষ হবে। খুব বৃষ্টি পড়ছিল। আমি আমার পোর্টফলিও হাতে ইন্টারভিউ দিতে যাচ্ছি। পাশে মা বসে। নাগপাশের মত সারাজীবন জড়িয়ে রেখেছে আমাকে। ইন্টারভিউ হয়ে গেল। আমার নতুন চাকরি পাকা তখন। ১৫ দিন পর জয়েনিং। আমার আজো মনে আছে, প্রভম বলেছিল, ‘দিদি কংগ্রাচুলেশনস। ফাটিয়ে দিয়েছ তো।’ বিশ্বাস কর কোলকাতা, আমার একটুও ভালো লাগেনি। ভালো লাগেনি তোমার প্যাঁচালো পরিবেশ। ভয় ছিল, এখানে মানাবো কি করে? এখানে তো আমি বেমানান। রাস্তাঘাটের গাড়িঘোড়া বড্ড ভয়ঙ্কর। যাই হোক, আমার চাকরিজীবন শুরু হল।

ও বাবা, অফিসে গিয়ে দেখি, আমিতো একদম হংস মধ্যে বক যথা। বাঙালি হয়ে ফুটবল জানিনা। মোহনবাগান আর ইস্টবেঙ্গলের জার্সি গুলিয়ে ফেলেছিলাম বলে সেকি হাসাহাসি অফিসে। আমি বাঙলা সিনেমা দেখিনি। বাংলা গানে কোনো উৎসাহ নেই। আমি কথায় কথায় ‘বাল’ বলতে পারি না। আমি গালিটা ইংলিশে দিতাম। আমি তো কোরিয়ান ফিল্মের ভক্ত। আমার ভাণ্ডারে ইংলিশ গানের সংগ্রহ। আমরা ‘গেম অফ থ্রোনস’, ‘বিগ ব্যাং থিওরি’ এসব দেখতাম। স্বাভাবিক, ভুবনেশ্বরের হস্টেলে সব চলত। আর গোটা সময়ই আমি কাটিয়েছি বিহারি রুমমেটের সাথে। মেয়েটা আজ অনেক বড় জায়গায় প্রতিষ্ঠিত। অসাধারন গান গাইত আর হাতের কাজ জানত। তারপর দেখলাম বাঙ্গালিকে সাধে কাঁকড়ার জাত বলেনা। আমার পিজির মাসি শুরুতে বড় মিস্টি কথা বলেছিল। কিন্তু বাস্তবে ব্যাবহার ভালো না। তারপর শুরু হল আমার মনের মানুষ খোঁজা। মুঠোফোনের দৌলতে এক আশ্চর্য প্রদীপ পেলাম। তাতে রোজ নতুন লোকের সন্ধান পাই। শুনেছিলাম তুমি প্রেমের শহর। তোমার ব্যাপ্তিতে ছড়িয়ে আছে প্রেমিকের আলিঙ্গন। সেখানেও চরম ঠকে গেলাম। হায়! প্রেমিক কই? সব তো পুরুষ। যারা প্রতি মুহূর্তে জরিপ করে দেহসৌষ্ঠব। কেউ বা শুধু প্রেমের স্বপ্ন দেখায়। জানো তিলোত্তমা, তোমাকে আরও ঘেন্না হত।

তারপর একদিন একটা মানুষের সাথে আলাপ হল। মানুষটাকে বড্ড আত্মঅহঙ্কারি লেগেছিল। ঠোঁটে সিগারেট আর চায়ের অসম্ভব নেশা। আমাকে বলেছিল, “আপনি কোনদিন কফিহাউসে গিয়েছেন? বা অঞ্জন দত্তের গান শুনেছেন? পুরো নস্টালজিয়া।” মানুষটা তোমাকে ভালবাসতে শেখাল।
আমি বলতাম শবরবাবু আর আমাকে বলতেন জগবন্ধু। আমাকে প্রথমবার কুমারটুলী নিয়ে গেল সে। কাশী মিত্তিরের ঘাট পেরিয়ে আমরা হাঁটতাম আহিরীটোলার ঘাটের দিকে। গঙ্গার জলে পা ডুবোতাম। হাওড়ার দিক থেকে ভেসে আসতো আরতির ঘণ্টার আওয়াজ। শবরবাবু আমাকে নিয়ে গেছেন নন্দনে, প্রিন্সেপ ঘাটে, উত্তর কোলকাতার অলিগলিতে। আমি মুগ্ধ হয়ে দেখেছি তোমার সৌন্দর্যে। রবীন্দ্র সরোবরে চা আর পাপড়ি চাট খেতে খেতে তর্ক করেছি কত। আজো ভুলিনি বাগবাজারের ছানার ডালনা; কি কেবিনের অসাধারন ভেটকি ফ্রাই। আজও ভুলিনি সেই দিনটা যেদিন আমি আর উনি আবিরকে দেখবো বলে চা ফেলে দৌড়েছিলাম।
কোলকাতা, তারপর এল আমার আরেক বন্ধু। তার হাত ধরে প্রথম থিয়েটার দেখলাম। যাদবপুরের ফুটপাথে বসে চা আর মোমো। দুঃখের সময়ে আশ্রয় পেয়েছি তার কাছে। কত দুষ্টুমির সাক্ষী থেকেছ আমাদের। বুঝিনি কখন আমরা মনের কাছাকাছি এসে পড়েছি। একটা নতুন সম্পর্ক এল আমার জীবনে। এই প্রথম একটা দাদা পেলাম। একটা সত্যি দাদা। আর ছিল বেহালায় আমার সখা। যার সাথে আড্ডায় বসলে কারুর সময়ের আর সিগারেটের হুঁশ থাকতো না। কিংবা আমার সেই ফোটোগ্রাফার বন্ধু; যার সাথে কাঠগোলায় ফুচকা খেতাম। তার সাথে পার্কের বেঞ্চিতে কাটিয়েছি কত বিকেল গল্প করে।

আজ তোমাকে বড্ড মনে পড়ছে কোলকাতা। কেমন আছো? আজ একটা মারণ রোগে পৃথিবী ভুগছে। আমি আজ ২ মাস গৃহবন্দী। শবরবাবুও বন্দী। শুধু আমার দাদাটা দৌড়ে বেড়াচ্ছে রোগীর কাছে কাছে। সেতো ডাক্তার, তার তো বন্দিত্ব নেই। ওগো তিলোত্তমা, আমি আবার আহিরীটোলার ঘাটে বসতে চাই। আমি যাদবপুরের ফুটপাথে চা খেতে চাই। আমি সল্টলেকের রাস্তায় হাঁটতে চাই। দেখতে চাই ওইখানের আমগাছগুলোতে কেমন আম হল? এখন আর তুমি দুরূহ উপন্যাস নও কোলকাতা। এখন চিনে গেছি বাসগুলো। আমি মিস করছি আমার রোববারের সকালের মর্নিং শো। কালিকাপুরের রাস্তায় কেমন ফুল ফুটেছে, জানতে মন করছে বড্ড। আচ্ছা শঙ্কুদা কি এখনও অমনি গাঢ় চা বানায়? বড্ড মিস করছি, এসি ৩৭এ করে নিউটাউন যাওয়াটা। কোলকাতা, জানতে মন করছে পার্কস্ট্রিটে, মেট্রো স্টেশনের কাছের মুচিটার দিন চলছে কি করে কিংবা গড়িয়ার ওই ধোপাটা, যে যত্ন করে আমার জামা ইস্ত্রি করত। আজো ভুলিনি বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া সেই দিনটা, ওর সাথে প্রথম দেখার দিন। অজান্তে ওকে ভালবাসতে বাসতে, কখন তোমাকে ভালবেসে ফেলেছি, বুঝতে পারিনি। আজ সে আমার জীবনে অতীত কিন্তু তুমি বেঁছে আছো প্রবলভাবে।

ভালো থেকো কোলকাতা। তোমাকে আবার জড়িয়ে ধরব দুহাতে। আবার ঘুরে আসব অনেক জায়গা। রাস্তা ভুলে গেলে চায়ের দোকানে ঠিকানা জেনে নেব। দৌড়ে ধরে নেব বাস। বাড়ি ফেরার তাড়া থাকলে মেট্রো কার্ড ঘষে পাতাল ফুঁড়ে উঠে আসব। আবার আমি সূর্যাস্ত দেখবো নৌকায় বসে; হয়তো নতুন কারুর সাথে।
ততদিন ভালো থেকো।
ইতি
তোমার এক প্রেমিকা

Posted in Scribbled Thought

Kingdom : A Masterpiece of Thriller Genre

Since my college days, I have been a great fan of the South Korean film industry. My first drama was ‘Boys Over Flower’. It was the first South Korean drama of every girl I knew in my hostel. And obviously, Lee Min Ho and Kim Hyung Jun were our princes of the dream. As the time flows by many other dramas such as ‘Playful Kiss’, ‘Sunkyungkwang Scandal’, ‘City Hunter’,’Moon Embracing the Sun’, ‘Personal Taste’, ‘Coffee Prince’ etc. became our top choice. I was introduced to movies as well. ‘Millionaire’s First Love’ was the first Korean movie I ever watched. And it made me cry like hell. ‘Innocent Steps’, ‘Miracle in cell no. 7’, ‘Song of Flower’, ‘A Moment to Remember’, ‘The Fortress’ were some notable pieces among what I have watched.

As time was ticking towards 2020, the drama contents became more mature. In the new era dramas. more fierce female characters were introduced. Like in ‘Ruler’, the character called Hwa Gun was a notable badass character. She was not the traditional damsel in distress, rather the saviour of the crown prince. When I first saw the trailer of ‘Kingdom’ on youtube, I was excited. Though my favourite genre is a period drama, I never thought that someone could mix a zombie apocalypse into it. Starring Ryu Seung Ryong and Heo Joon Ho, this drama made me impatient to finally subscribe for Netflix.
(P.S: Torrent is more popular here.) When you are mixing a zombie thriller into a historical drama, you must have a strong storyline to do the justice for the audience. Kingdom didn’t disappoint me.

Story Line

The introduction starts with a ritual where a royal dead body is brought back to life and the series started with a snarling of a beast in the king’s bedchamber; followed by a sudden death of medical personnel. The story revolves around the only son of the king, Lee Chang whose mother was a concubine. He was named as the crown prince. But the current situation in the royal court was mysterious. The king had been sick for a prolonged period and he was not attending the royal assembly. In the palace other than the young queen, her father Cho Hak-Ju and their retinue no one was allowed to meet the king. Out of suspicion, with the help of his bodyguard Mu-Young Lee Chang found out that something is odd about the king’s sickness and set out to a journey to find the doctor who had treated the king. Meanwhile, the attending doctor Lee Sang-Hui returned to his clinic in his town with the dead body of his assistant (mentioned earlier). The town was suffering from terrible famine and various diseases. Out of hunger, the starving people cooked the dead body and eat it up without the doctor’s knowledge. As the sun set, they started to turn into zombies. That night only Seo-Bi (Assistant physician) and Young-Shin were able to survive the attack. But the next day the prince found out the bodies and asked the local magistrate, Bom Pal to investigate the matter. Later Seo-Bi and Young-Shin begged them to burn the bodies while it was daytime but they were ignored. As a result at that night, the whole town was under attack of zombies and only a few survived. Devastated with the situation Lee Chang and the survivors set out for Sangju to take refuge under Lord Ahn Hyeon.

In Sangju Lee Chang was informed that someone in his team was leaking the intel to Cho Hak-Ju and was advised to stay alert by Ahn Hyeon. Meanwhile, Ahn-Hyeon seemed to have information about the zombies and they started to build a barrier against the zombie attack in the night. But to their surprise, the zombies started to attack in the daytime. Unable to control the situation the crown prince decides to go to Cho Hak-Ju to find out the truth accompanied by his team. On that night the people found out about the death and zombification of the king. Though the prince was able to set the king free, he had to pay a heavy price. Under the charge of patricide, Cho Hak Ju arrested him. Before setting out for capital Hak-Ju was attacked by a zombie and was severely injured. With the new support of the officers, present there Lee Chang started his journey to the capital. Meanwhile, all the time Seo Bi was busy in researching the zombification and found the plant responsible for it. While treating Cho Hak Ju she found the fundamentals and stopped him from turning into a zombie. But Hak-Ju kept her by his side. He sensed something wrong with the Queen’s pregnancy. Later the prince arrives at the capital but the queen already had taken power with the help of her newborn son. While asking for the legitimacy of the child, Lee Chang and his group found out that the palace was under attack of a surge of zombies. The second season ends with a huge question for the fate of the kingdom and the mysterious appearance of a woman with many chained zombies under her control.

In My Views

The best part of the characters in this drama is they have different shades of grey. You can’t judge them whether they are completely right or completely wrong. Everyone on this was fighting to survive. The crown prince’s transformation from an ignorant person to a true leader would make you fall in love with him. As for Mu-Yeong, he had his reasons for every action. He was a perfect example of a loyal bodyguard and a responsible husband. Beom Pal was a pitiful character. He shows that how much forced career choice by families can destroy a person. Seo Bi and Young Shin reflect the struggle of common people crushed under the pressure of nobility. The series could have had given Ahn Hyeon’s character a bit more screen time. Though Cho Hak Ju was a villain with class but his daughter was the epitome of ruthlessness. The drama has successfully depicted the curse of class system. Improper distribution of food throughout different classes were shown in a scene where some nobleman wasted few piece of abandoned meat and a poor on-duty guard was thinking about eating that piece. While the people were eating a dead human body, the queen burnt her silk gown just because it soaked few drops of blood.

The series also depicted the contrast of living standard of common people and nobility. While few people are living in a luxury while majority of common people are forced to live in misery. They could be sacrificed at anytime for the sake of kingdom.
As for the casting, everyone is appropriate. Ryu Seung Ryong is a veteran actor. I have seen his many films and series. Whatever characters he has picked so far; be it a gay character, be it a Pansori teacher or a powerful villain he has done the justice. He will manipulate your judgement for the characters for sure. But I would like to mention the name of Kim Hye-Jun (The Queen). I have never seen an actor expressing so much wickedness and ruthlessness by just a cold stare. She will give you chill for sure. The story is not always told on a serious note. It had moments of comic relief too. Specially the moments of Lee Chang and Mu-Yeong were quite funny and warm.
The best part of this drama was its sound effect. Unlike western horror films where the shrill sound effects irritate, the makers had used more subtle low-tone music which will make your heart beat faster out of tension. VFX, costume and cinematography are superb. But the hero of the series is its storyline and plot twist. Even after watching it twice, I could not get enough of it.

P.S:
I highly recommend you to watch this series if you love thriller genre. This series has a perfect introduction to perfect ending of the concept of zombies.
Damn this Netflix. The story could have been wrapped up in two seasons. Was it really necessary to introduce Jun Ji-Hyun’s character without giving us any clue? Now we have to wait for another year amidst this pandemic for another season.